ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে সিলেট বিভাগের উল্লেখযোগ্য হিন্দু তীর্থক্ষেত্রসমূহ পরিদর্শনে তিনদিনব্যাপী তীর্থভ্রমণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
আগামী ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে ৬ জুন (শনিবার) পর্যন্ত এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচির আওতায় হবিগঞ্জের শ্রীশ্রী শচীমাতা স্মৃতি ধাম, সিলেট মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলের শ্রীশ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু আশ্রম ও মিশন, শ্রীশ্রী বিষ্ণুপদ ধাম (তারাপাশা), সুনামগঞ্জের পনাতীর্থ, তাহিরপুর এবং সিলেটের শ্রীশ্রী মহালক্ষ্মী মহাপীঠসহ অঞ্চলটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হিন্দুধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও তীর্থস্থান পরিদর্শন করা হবে।
হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যান ও তীর্থভ্রমণ কর্মসূচির টিম লিডার তপন চন্দ্র মজুমদারের নেতৃত্বে এ ভ্রমণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচিত ২৭ জন তীর্থযাত্রী অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন।
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন বরিশালের রাম প্রসাদ ঘোষ, শিল্পী রানী ঘোষ ও কিরণ শংকর হালদার। টাঙ্গাইলের পরিমল বন্ধু বসাক ও বেনু বসাক।
পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ধনেশ চন্দ্র বর্মন, ঝালকাঠীর ইঞ্জিনিয়ার লিটন হালদার।
ঢাকা সাভারের নিরাশা রানী দাস ও অঞ্জনা মনি ঋষি, পটুয়াখালীর রাঙাবলীর শিখা দাস। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার নিত্যানন্দ হালদার, ঢাকার ১১/এ মোহিনী মোহন দাস লেনের ঊষা রানী দাস, কে. এম. দাস লেনের বীনা সাহা।
ঢাকা মোহাম্মদপুরের উজ্জ্বল কুমার ঘোষ ও লক্ষ্মী রানী ঘোষ, ধামরাইয়ের দ্বিজেন্দ্র লাল বিশ্বাস ও ঝর্ণা বিশ্বাস, উত্তরা মডেল টাউনের শিব শংকর মোদক ও মন্তোষ কুমার পাল।
নেত্রকোনার নিরঞ্জন চন্দ্র দে ও লক্ষ্মী রানী দে, ঠাকুরগাঁওয়ের যামিনী কুমার রায়, চন্দন কুমার দে, অভিজিৎ চক্রবর্তী ও জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মন এবং কুষ্টিয়ার সুজিত কুমার বিশ্বাস।
তীর্থযাত্রীদের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার দায়িত্ব পালন করবেন হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহকারী হিসাবরক্ষক আশীষ কুমার সরকার।
এ বিষয়ে হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব (উপসচিব) দেবেন্দ্র নাথ উরাও স্বাক্ষরিত (১৬.০৫.০০০০,০০০, ০০৫,০৬,০০১১,২৫,৩৭০ (০৬)১ স্মারক নম্বর মূলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভ্রমণকারীরা নির্ধারিত গাইডলাইন ও সরকারি বিধি মোতাবেক ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।
তীর্থভ্রমণ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও সম্পাদক, ট্রাস্টি এবং তীর্থযাত্রীদের প্রয়োজনীয়ভাবে অবহিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক, সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলাস্থ শ্রীশ্রী অদ্বৈতাচার্য মন্দির কমপ্লেক্স উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, তথ্য ও ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা, হিসাব শাখাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে।
হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের এ উদ্যোগকে ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চা, তীর্থসংস্কৃতির বিকাশ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও আধ্যাত্মিক বন্ধন সুদৃঢ়করণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



