আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের ৯টিসহ মোট ১২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
আজ (বুধবার, ১০ ডিসেম্বর) দলের কার্যালয়ে প্রথম ধাপের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। বেলা ১১টায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসন থেকে (বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা এলাকা) থেকে নির্বাচন করবেন। অন্যদিকে রংপুর-৪ আসনে নির্বাচন করবেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসন থেকে লড়বেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এবার তাঁরা ব্যালট রেভল্যুশনে যাচ্ছেন।
তিনি দলীয় প্রতীক শাপলা কলি এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোটের প্রচার চালাতে প্রার্থীদের নির্দেশনা দেন।
এ সময় এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব তাসনীম জারা বলেন, দেড় হাজারের বেশি প্রার্থী তাদের দলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এনসিপির প্রার্থী তালিকায় ব্যতিক্রম দেখা যাবে।
চট্টগ্রামের যে ৯টি সংসদীয় আসনে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন সেগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম-৬ রাউজান আসন থেকে মহিউদ্দিন জিলানী, চট্টগ্রাম-৮ বোয়ালখালী আসন থেকে মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী আসন থেকে মো. রিয়াজুল আনোয়ার চৌধুরী সিন্টু, চট্টগ্রাম-১০ ডবলমুরিং আসন থেকে সাগুফতা বুশরা মিশমা, চট্টগ্রাম-১১ বন্দর-পতেঙ্গা আসন থেকে মোহাম্মদ আজাদ দোভাষ, চট্টগ্রাম-১৩ আনোয়ারা আসন থেকে জুবাইরুল আলম মানিক, চট্টগ্রাম-১৪ চন্দনাইশ আসন থেকে মুহাম্মদ হাসান আলী, চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া আসন থেকে আবদুল মাবুদ সৈয়দ ও চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসন থেকে মীর আরশাদুল হককে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়।
দলটি জানায়, পরবর্তীতে বাকি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
তবে দলটি প্রার্থীদের চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে পরিবারকেন্দ্রিক নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ‘রাষ্ট্র সংস্কার পন্থি, পেশাজীবী, শিক্ষিত ও নীতিনিষ্ঠ তরুণদের প্রাধান্য দিয়েছে।
গত ৬ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করলেও মনোনয়নপ্রত্যাশীদের আগ্রহ বিবেচনায় ২০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়।
এসময় ১ হাজার ৪৮৪টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে তারা।



