চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের সবকটিতেই নিজস্ব প্রার্থী রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির। জোটভুক্ত হলেও শরিকদেরকে তারা এবার কোন আসন না দিয়ে নিজেরাই নির্বাচন করছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী হিসাব নিকাশ করে ১৩টিতে নিজেদের প্রার্থী দিয়েছে। তিনটি আসন শরিক দলকে ছেড়ে দিয়েছে তারা। এর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে চট্টগ্রাম-৮ এবং এলডিপিকে চট্টগ্রাম-১২ ও চট্টগ্রাম-১৪ এ দুইটি আসন ছেড়েছে তারা। তবে জনসমর্থন, শক্তি-সামর্থ্য, বিদ্রোহী প্রার্থী সমস্যা, অন্তর্দ্বন্দ্বসহ নানা সমস্যায় দুই জোটই ব্যতিব্যস্ত। এমন অবস্থায় নির্বাচনী দৌঁড়ে কারা হাসবেন শেষ হাসি-সেটাই এখন দেখার পালা।
নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির নুরুল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র এ কে এম আবু ইউসুফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এর রেজাউল করিম, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী ও জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাত হোসেন।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়নের বৈধতা দিয়েছেন উচ্চ আদালত। ফলে নির্বাচন করতে তার আর বাধা নেই। এমন অবস্থায় এ আসনে জামায়াতে ইসলামীসহ অন্য দলীয় প্রার্থীরা এতদিন ফুরফুরে মেজাজে থাকলেও এখন চাপে রয়েছেন। এ আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. জুলফিকার আলী মান্নান, গণ অধিকার পরিষদের রবিউল হাসান, জনতার দল এর মো. গোলাম নওশের আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির ও জিন্নাত আকতার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তবে মূল লড়াই চলবে বিএনপি এবং জামাায়াত প্রার্থীর মধ্যে।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা, জামায়াতে ইসলামীর মো. আলাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. আমজাদ হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড) আসনে বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী হেভিওয়েট প্রার্থী। এলাকায় তার প্রভাব-জনসমর্থন বর্তমানে সময়ে তুঙ্গে। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আনোয়ার ছিদ্দিকেরও ভাল অবস্থান রয়েছে বলে জানা যায়। তবে জোটভুক্ত হওয়ার সুফল যদি ভোট বাক্সে প্রতিফলিত হয়, তাহলে এ আসনে নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে দুই বিএনপি এবং জামায়াতের মধ্যে। আসনটিতে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. মছিউদদৌলা, নেজামে ইসলাম পার্টির মো. জাকারিয়া খালেদ, গণ সংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম, বিএসপির মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. দিদারুল মাওলা, গণ অধিকার পরিষদের এ টি এম পারভেজ ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. সিরাজউদ্দৌলা।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির মীর মো. হেলাল উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মতি উল্লাহ নূরী, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. আলা উদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমাম উদ্দিন রিয়াদ।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহজাহান মঞ্জু, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী ও গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। আসনটিতে বিএনপির গোলাম আকবর খন্দকারকেও মনোনীত করেছিল দল। তবে সর্বশেষ গিয়াস কাদেরকে চুঢ়ান্ত করায় এখন তিনি নির্বাচন করছেন। কিন্তু এ আসনে গিয়াস কাদেরের সাথে গোলাম আকবর খন্দকারের মধ্যে বিরাজমান অন্তর্দ্বন্দ্ব নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা। এমন অবস্থায় বিএনপির দুই নেতার অন্তর্দ্বন্দ্বের ফল পেতে পারে জামায়াত।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর এ টি এম রেজাউল করিম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আবদুল্লাহ আল হারুন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া, আমার বাংলাদেশ পার্টির মো. আবদুর রহমান, গণ অধিকার পরিষদের মো. বেলাল উদ্দিন ও জাতীয় পার্টির মো. মেহেদী রাসেদ। হুম্মাম কাদের চৌধুরীর বাবা প্রয়াত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম বিএনপির একসময়ের ডাকসাইটে নেতা ছিলেন। হুম্মাম তার গণসংযোগে তার বাবার শৌর্য-বীর্য, কীর্তির কথা তুলে ধরছেন। এমন পরিস্থিতিতে হুম্মামের ভোটে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ইমেজ প্রভাব বিস্তার করতে পারে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে বিএনপির এরশাদ উল্লাহ, জামায়াতে ইসলামীর মো. আবু নাছের, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান, জাতীয় নাগরিক পার্টির জোবাইরুল হাসান আরিফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. নুরুল আলম ও ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. এমদাদুল হক।
চট্টগ্রামে এনসিপির একমাত্র আসন চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী)। জোটের কারণে আসনটি এনসিপি-কে ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত। তবে একদিকে বিএনপির শক্ত প্রার্থী। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি প্রার্থীর কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি। এই আসনে জোটের প্রার্থী এনসিপির চট্টগ্রাম অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ নিজ দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি এখনও পুরোদমে জোটের প্রধান শরিক জামায়াতের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে পাচ্ছেন না। এই আসনে জোট থেকে এনসিপির প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও সেটি মেনে নিতে পারছেন না জামায়াতের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা- এমনটা শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে মাঠে ময়দানে এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তারা বাকযুদ্ধে লিপ্ত। এসব কারণে এনসিপির ভাগ্যে কি হতে পারে-সেটাই দেখার বিষয়।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে বিএনপির মো. আবু সুফিয়ান, জামায়াতে ইসলামীর ডা. এ কে এম ফজলুল হক, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, গণ সংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মো. হাসান মারুফ, জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আবদুশ শুক্কুর, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মো. শফি উদ্দিন কবির, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এর মো. নঈম উদ্দিন, নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবচার মজুমদার ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী। কোতোয়ালি আসনকে নগরের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর ঘাঁটি বলা হয়। নগরীর চকবাজার, দেওয়ানবাজার, আন্দরকিল্লা, পাঁচলাইশসহ আশপাশের এলাকায় জামায়াতের প্রভাব প্রতিপত্তি আলোচিত বিষয়। এখানে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও একচ্ছত্র আধিপত্য তাদের। এমন অবস্থায় এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে ধরেই নেয়া যায়।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে বিএনপির সাঈদ আল নোমান, জামায়াতে ইসলামীর শামসুজ্জামান হেলালী, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের আসমা আকতার, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মো. লিয়াকত আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, ইনসানিয়াত বিপ্লবের সাবিনা খাতুন, লেবার পার্টির মো. ওসমান গণি, জাতীয় পার্টির মো. এমদাদ হোসাইন চৌধুরী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আরমান আলী। আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে সাঈদ আল নোমানের ইমেজ ভাল এলাকায়। তার উপর বাবার প্রতি এলাকাবাসী ও দলীয় সমর্থনের পুরোটাই কাজে লাগাচ্ছেন তিনি। সাঈদ আল নোমান বলতে গেলে চাপ মুক্ত।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপির আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ শফিউল আলম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মুহাম্মদ আবু তাহের, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের দীপা মজুমদার, গণ ফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক, জাতীয় পার্টির আবু তাহের, বাসদের নিজামুল হক আল কাদেরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. আজিজ মিয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. নুর উদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া। বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর একচ্ছত্র প্রভাব রয়েছে চট্টগ্রাম-১১ আসনে। তার জনসমর্থন, শক্তি সামর্থের কাছে জামায়াতের প্রার্থী অনেকটা দুর্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির মোহাম্মদ এনামুল হক, জামায়াতে ইসলামীর মো. ফরিদুল আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর এস এম বেলাল নূর, জাতীয় পার্টির ফরিদ আহমদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লব এর মো. আবু তালেব হেলালী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাখাওয়াত হোসাইন। আবার এখানে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে (এলডিপি) ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত জোট। চট্টগ্রাম-১২ আসনে এলডিপির প্রার্থী এম এয়াকুব আলীও রয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী ) আসনে বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম, জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এস এম শাহজাহান, জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. রেজাউল মোস্তফা ও এনডিএম এর মো. এমরান।
চট্টগ্রাম-১৪ আসনে চূড়ান্ত আট প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। এই আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাবেক সহসভাপতি মিজানুল হক চৌধুরী ফুটবল প্রতীক নিয়ে ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এই আসনে বাকি ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে এলডিপির ওমর ফারুক ছাতা প্রতীক নিয়ে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. সোলাইমান মোমবাতি, জাতীয় পার্টির বাদশা মিয়া লাঙল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ হাতপাখা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এইচএম ইলিয়াছ আপেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
এ আসন কর্ণেল অলির এলাকা। এখানে কর্ণেল অলি যেদিকে তার সমর্থক ভোটাররা সেদিকে।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন, জামায়াতে ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর শরীফুল আলম চৌধুরী। এখানে শাহজাহান চৌধুরী আগেও আসন পেয়েছেন। এবার তুলনামূলক অনুকূল পরিস্থিতি। তাই জয়ের আশা দেখছেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমর্থকরা।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে বিএনপির মেশকাতুল ইসলাম চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মো. জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আবদুল মালেক, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এহছানুল হক, গণ অধিকার পরিষদের মো. আরিফুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাফেজ রুহুল্লাহ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ লেয়াকত আলী।
চট্টগ্রাম-১৬ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী সাতজন। তাঁদের মধ্যে বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী ধানের শীষ ও বিদ্রোহী দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লেয়াকত আলী ফুটবল প্রতীকে নির্বাচন করছেন। বাকি পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবদুল মালেক চেয়ার, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এহছানুল হক হারিকেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ রুহুল্লাহ হাতপাখা ও গণ অধিকার পরিষদের মো. আরিফুল হক ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
এদিকে ১১টি আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও ভোটের মাঠে সরব রয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় জামায়াতের ভোটের পরিমাণ কমবে।
এই বিষয়ে জামায়াতের চট্টগ্রাম মহানগর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, ১৬ আসনে ভালো করার প্রত্যয় নিয়েই আমরা প্রচারণা শুরু করেছি। জোটগত নির্বাচনে একটি সুবিধা তো থাকেই।
এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের টর্চ বেয়ারার তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধানের শীষের জোয়ার এসেছে। চট্টগ্রামের সবকটি আসনেই আমাদের অবস্থান ভালো। তাতে ভালো সম্ভাবনা দেখছি আমরা। আমরাই সবগুলোতে জয়ী হব, ইনশাল্লাহ।
উত্তর জেলা জামায়াতে ইসলামের আমির মুহাম্মদ আলা উদ্দীন সিকদার বলেন, চট্টগ্রামে জামায়াতের অবস্থান ভালো।দক্ষিণে আমাদের সেখানে আমাদের সাংগঠনিক শক্তি অনেক বেশি। অতীতেও এখানে আমরা আসন পেয়েছি। তবে উত্তরেও এবার আশা দেখছি।
নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, দলের যারা নীতিনির্ধারক, তারা অনেক কিছু হিসাব-নিকাশ করেছেন। নগরে জামায়াত ইসলামীর অবস্থান সুদৃঢ় ও শক্ত । বাকিটা আল্লাহর উপর ।



