back to top

চট্টগ্রাম বন্দরে মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতি ঘোষণা

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:২১

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ডাকা কর্মবিরতির তৃতীয় দিন আজ সোমবারও (২ ফেব্রুয়ারি) বন্দরের পরিচালনা কার্যক্রমে প্রায় অচলাবস্থা চলছে।

সকাল আটটা থেকে বন্দর জেটিতে জাহাজ থেকে কনটেইনার ও পণ্য ওঠানো-নামানোর কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এ অবস্থায় এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল আটটা থেকে একটানা ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’।

আজ দুপুরে বন্দর ভবনের সামনের চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম সমন্বয়ক ইব্রাহিম হোসেন।

ইব্রাহিম হোসেন বলেন, যেসব কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে, তা প্রত্যাহার না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীরসহ আন্দোলনকারী নেতারা।

এর আগে নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বন্দর অভিমুখে কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশ করেছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।

বেলা ১১টায় নগরের আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ে স্কপের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে বন্দর অভিমুখে কালো পতাকা মিছিল শুরু করেন।

কর্মসূচি থেকে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানানো হয়।

স্কপ নেতা এস কে খোদা তোতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র চট্টগ্রামের সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ নুরুল্লাহ বাহার প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় থেকে শুরু হয়ে কালো পতাকা মিছিলটি যমুনা ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

উল্লেখ্য, গত শনি ও রবিবার তিন দফায় পৃথক আদেশে বন্দরের ১৬ কর্মচারীকে ঢাকায় বন্দরের দুটি কার্যালয়ে বদলি করা হয়।

বদলির আদেশে জরুরি দাপ্তরিক ও অপারেশনাল কাজে তাঁদের বদলি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হলেও আন্দোলনকারীরা বলছেন, আন্দোলন নস্যাৎ করতে এই বদলি করছে কর্তৃপক্ষ।

এনসিটি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত শনিবার থেকে প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করে আসছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।