back to top

চবি ল্যাবরেটরি স্কুল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা!

শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে পরীক্ষা বয়কট

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২১

সিটিজি নিউজ টুডে : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের অপসারণ এবং দীর্ঘদিন কর্মরত খণ্ডকালীন শিক্ষকদের ন্যায্য বিচার ও পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীদের একাংশ।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে খণ্ডকালীন শিক্ষকদের বাদ দিয়ে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি শুরু করে তারা।

শুধু তাই নয়, সকালে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী একাদশ শ্রেণির অর্ধবার্ষিক আইসিটি পরীক্ষা শুরু হলে শিক্ষার্থীরা তা বয়কট করে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেন এবং কলেজ মাঠে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ কর্মসূচি চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়। যদিও ২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ায় পরীক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়নি।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, নতুন যেসব শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের আমরা চিনি না।

পূর্বের শিক্ষকরা ১০–১২ বছর ধরে আমাদের পড়িয়েছেন এবং আমাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। হঠাৎ করে তাদের বাদ দেওয়ায় আমরা ক্ষুব্ধ।

মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলছেন, সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া অধ্যক্ষের নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা ১২ জন খণ্ডকালীন শিক্ষককে সরিয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা পুরাতন শিক্ষকদের ফেরত চাই।

অভিযোগ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, যারা আগে শিক্ষক ছিলেন, তারা নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন না; খণ্ডকালীন ছিলেন।

বিধি অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা, প্রেজেন্টেশন ও ভাইভার মাধ্যমে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ন্যূনতম জিপিএর শর্ত শিথিল করা হলেও অনেকেই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

তিনি আরও বলেন, কিছু বাদ পড়া শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রভাবিত করে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছেন—এমন তথ্য আমরা পেয়েছি।

খণ্ডকালীন শিক্ষক অপসারণ ও নতুন নিয়োগকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা দেখা দেয়। তবে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও যাচাই-বাছাইয়ের আশ্বাস দিয়েছে।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি