back to top

নির্বাচন হলে দেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে : সেনাসদর

প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৬:৪১

দেশের জনগণের মতো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও চায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া রূপরেখা অনুযায়ী একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।

আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেস ‘এ’-তে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, সদর দপ্তর আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (জিওসি আর্টডক) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি নির্বাচন হলে দেশে স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে এবং সেনাবাহিনী তখন সেনানিবাসে ফিরে যেতে পারবে।

আমরা সেটার দিকে তাকিয়ে আছি। এবং সরকার এখন পর্যন্ত যে রূপরেখা প্রণয়ন করেছে, সেটার ওপর ভিত্তি করে আমরা যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান বলেন, আমাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সীমিত আকারে চলছে। তারমধ্যে নির্বাচনের সময় আমাদের যে করণীয়, সেটা ফোকাসে রেখেই আমরা প্রশিক্ষণ করছি।

শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব হলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। তো গত ১৫ মাস আমরা বাইরে আছি। নির্বাচন পর্যন্ত বা তার কিছুটা পরেও যদি বাইরে থাকতে হয়, তাহলে আরও কিছুদিন বাইরে থাকতে হবে।

এতে করে আমাদের প্রশিক্ষণ বিঘ্নিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে, যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করেছে গত ১৫ মাস, এটা সহজ কোনো পরিস্থিতি ছিল না। এ ধরনের পরিস্থিতি বাংলাদেশ প্রতিদিন ফেস করেনি।

তিনি আরও বলেন, এই জন্য আমরাও চাই একটা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক এবং আমরা সেনানিবাসে ফেরত আসতে পারি।

তিনি বলেন, আপনারা সবাই জানেন গত ১৫ মাস সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়োজিত আছে এবং অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে দায়িত্ব পালন করছে। আমি বলবো অত্যন্ত পেশাদারভাবে দায়িত্ব পালন করেছে।

সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার নিয়ে তিনি বলেন, আমরাও লক্ষ্য করেছি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সেনাবাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এটা দুঃখজনক।

আমি আপনাদের নিশ্চিত করতে চাই, সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য, সেনাবাহিনী প্রধান এবং সেনাবাহিনীর সিনিয়র লিডারশিপের প্রতি শতভাগ অনুগত এবং বিশ্বস্ত রয়েছে।

আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় সেনাবাহিনী এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ এবং আমাদের ভ্রাতৃত্ববোধ এখন আরও বেশি।