back to top

কাল সকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দর সচল হবে আশা নৌ উপদেষ্টার

বন্দর বন্ধ করার এখতিয়ার কারো নেই

প্রকাশিত: ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৩

চট্টগ্রাম বন্দরের অচলাবস্থা কাটাতে আলোচনা চলছে বলে জানিয়ে আগামীকাল শুক্রবার সকাল থেকে বন্দর আবারো সচল হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত জরুরি বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নে আশা প্রকাশ করেছেন উপদেষ্টা।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, তিনটি মিটিং করেছি। এর মধ্যে দুইটা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও ইসলামিক শ্রমিক সংঘের সঙ্গে।

তাদের কথা শুনেছি, আমি আমার বক্তব্য দিয়েছি। যেগুলো আমার মধ্যে আছে বলেছি, যেগুলো আমার বাইরে, সেগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলব। এখনো মিটিং শেষ হয়নি, এখান থেকে ফিরে ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে কথা বলব।

উপদেষ্টা বলেন, সবাইকে অনুরোধ করেছি, আপনারা আন্দোলন করেন অসুবিধা নেই। কিন্তু রোযার আগে এ ধরনের আন্দোলন যেখানে পোর্ট বন্ধ করে রাখা, এটা অত্যন্ত অমানবিক। এটা করা ঠিক হয়নি।

আপনাদের যে বক্তব্য সেটা পোর্ট বন্ধ না করেও হতে পারত। রোযার আগে পোর্ট বন্ধ মানে বাজারের কি অবস্থা হবে ভাবুন। এটা তো মানুষকে কষ্ট দেয়া।

তিনি আরো বলেন, আমি তাদের বলেছি, আমি নোট করেছি, এটা আমার সিদ্ধান্ত না, আমি জানাব। এও বলেছি, আমি যতদূর দেখেছি, জাতীয় স্বার্থ বাদ দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এ সরকার নেবে না, ওতে আমার মত থাকবে না। কিন্তু পোর্ট বন্ধ রাখার এখতিয়ার কারো নেই।

আজ এভিয়েশন ফুয়েল আটকে আছে, এতে এভিয়েশনে কি অবস্থা হচ্ছে ভাবুন।

আগামীকাল সকালে পোর্ট সচল হওয়ার আশা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এখানে যা ঘটছে, সব এখান থেকেই হচ্ছে, বিষয়টা এমন না।

এখানে অনেকের ইন্ধন রয়েছে, আমি মনে করি। সব বিষয়ে ফিরে গিয়ে আলোচনা করব। আশা করি কাল সকালে যেভাবেই হোক পোর্ট সচল হবে।

তিনি আরো বলেন, আজ এখন ভাটার সময়, এখন অর্থাৎ তিনটার পর আর জাহাজ আনা যায় না।

এরপরও আমরা চেষ্টা করছি, জাহাজ আনার। বলেছি, যদি কেউ বাধা দেয়, সরকার হার্ডলাইনে যেতে বাধ্য হবে। সেটা যেন না হয়, সে অনুরোধ করেছি।