back to top

চট্টগ্রামে ৩ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেবে চসিক

প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৬

সিটিজি নিউজ টুডে : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এলাকায় ৩ লাখেরও বেশি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র শাহাদাত হোসেন।

আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত মাসব্যাপী এই টিকাদান ক্যাম্পেইন চলবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর লালদিঘীর পাড়ে চসিক পাবলিক লাইব্রেরি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এই তথ্য জানান।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের ক্যাম্পেইনে ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হবে।

প্রতিদিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। ২০ এপ্রিল সকাল ১০টায় চসিক জেনারেল হাসপাতালে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা হতে পারে।

তাই প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা জরুরি।’ তিনি এই কর্মসূচি সফল করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

জানা গেছে, এবারের ক্যাম্পেইনে ৭টি জোনের ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এজন্য ৪৮টি স্থায়ী টিম, ২০৫টি অস্থায়ী টিম, ৪১টি মপ-আপ টিম এবং ১৪টি সন্ধ্যাকালীন টিকাদান সেশন চালু থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন দিয়ে অনলাইনে নিবন্ধন করে টিকা নেওয়া যাবে।

তবে নিবন্ধন না থাকলেও কোনো শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হবে না। বিশেষ করে বস্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।

চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক শেখ ফজলে রাব্বী, সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম, চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা প্রমুখ।

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ, গ্যাভি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থা সহযোগিতা করছে।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি