দেশজুড়ে ডেস্ক : কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় এক যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
আটক যুবক উপজেলার ওপারচর গ্রামের বাসিন্দা। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার নাম প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “স্থানীয়রা একজনকে আটক করে আমাদের খবর দিয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে এসেছি। তিনি এখন থানা হেফাজতে আছেন।”
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ৫ থেকে ৬ জন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত জানতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।
এর আগে বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হোমনা পৌর এলাকার কৃষি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার স্বামী হোমনা পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
ঘটনার দিন রাতে তারা অটোরিকশাযোগে তিতাস উপজেলায় গৃহবধূর বাবার বাড়িতে যাচ্ছিলেন।
পথে কৃষি কলেজ এলাকা অতিক্রম করার সময় ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমান ও তার আরও ছয়-সাতজন সহযোগী দুটি মোটরসাইকেলে এসে তাদের পথরোধ করেন।
একপর্যায়ে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক অটোরিকশাসহ দম্পতিকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান।
সেখানে আশিকুর রহমান ও তার দুই সহযোগী গৃহবধূকে স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। অন্যদিকে, তাদের সহযোগীরা ভুক্তভোগীর স্বামী ও অটোরিকশাচালককে দূরে সরিয়ে রাখে।
এ সময় আশিকুর রহমান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে অভিযুক্তরা দম্পতিকে ছেড়ে দিলে তারা হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী নারী হোমনা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন, যেখানে আশিকুর রহমানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



