সিটিজি নিউজ টুডে : প্রেমের সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে এক তরুণীকে (২২) ধর্ষণ এবং তার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন তোফাজ্জল হোসেন (৩৬) ও তার সহযোগী মো. মানিক (২৭)।
র্যাব-৭ জানায়, ভুক্তভোগী তরুণী নগরের পতেঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। ২০২৩ সালে বিবাহবিচ্ছেদের পর তার সঙ্গে তোফাজ্জল হোসেনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এ সময় গোপনে তার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে তোফাজ্জল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে বিয়ে না করে সরে যান তিনি। এরপর ভুক্তভোগী অন্যত্র বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে তোফাজ্জল ভুক্তভোগীর নতুন ঠিকানা সংগ্রহ করে সেখানে গিয়ে আবারও সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দেন।
এতে অস্বীকৃতি জানালে ধারণকৃত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে তিনি এসব ছবি-ভিডিও তার সহযোগী মানিককে সরবরাহ করেন।
গত ৮ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মোবাইলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে দুজন মিলে তাকে একটি হোটেলে যেতে বাধ্য করার চেষ্টা করেন।
এতে রাজি না হলে তাকে গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে জোরারগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ফেনী জেলার মহিপাল বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে প্রধান আসামি তোফাজ্জল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে বুধবার রাতে নগরের পতেঙ্গা থানার ধুমপাড়া এলাকা থেকে তার সহযোগী মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



