back to top

স্টেশনে তেল নেই, বাড়তি দামে খোলাবাজারে বিক্রি: প্রশাসন কী বলছে?

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৫:৪৪

চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। অধিকাংশ স্টেশনে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন না থাকলেও খোলাবাজারে বাড়তি দামে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে, পানির বোতলে করে হকারদের মাধ্যমে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সংকটের সুযোগ নিয়ে খোলাবাজারে প্রতি লিটার জ্বালানি ৫০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে দ্বিগুণ চাপে পড়েছেন ভোক্তারা। একদিকে জ্বালানির সংকট, অন্যদিকে অতিরিক্ত মূল্য। এর প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতেও।

গত ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) থেকে নগরী ও জেলার বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যানবাহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চালকদের দাবি, বেশি দামে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হওয়ায় ভাড়া বাড়ানো ছাড়া তাদের উপায় নেই।

একাধিক চালক জানান, “প্রতি লিটার জ্বালানি ৫০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে ভাড়া বাড়াতে হচ্ছে। স্বাভাবিক দামে জ্বালানি পেলে ভাড়াও কমে যাবে।”

এ অবস্থায় ক্ষোভে ফুঁসছেন যাত্রীরা। হঠাৎ ভাড়া বৃদ্ধি ও জ্বালানির সংকটে নিত্যদিনের চলাচলে ভোগান্তি বেড়েছে বহুগুণ।

এদিকে প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি নিয়ে কারচুপি ও অনিয়ম ঠেকাতে জেলার সব ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, “সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি হওয়ায় সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। তবে কালোবাজারি বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

তবে প্রশাসনের এমন আশ্বাসের পরও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমেনি। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি