back to top

চট্টগ্রামে অবৈধ বিজ্ঞাপন স্থাপনা-বিলবোর্ড উচ্ছেদ শুরু, মেয়রের হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:১০

সিটিজি নিউজ টুডে : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বেশ কয়েকবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম মহানগরকে পরিকল্পিত, দৃষ্টিনন্দন ও পরিচ্ছন্ন মহানগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তারই ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে আজ বিলবোর্ড ও অবৈধ বিজ্ঞাপন স্থাপনা উচ্ছেদে মাঠে নেমেছে চসিক মেয়র।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে নগরীর কাজীর দেউরী এলাকায় সিটি মেয়র নিজেই উপস্থিত থেকে অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন।

অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়াই স্থাপিত বিভিন্ন আকারের বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ করা হয়।

এসময় অবৈধ বিজ্ঞাপন স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মেয়র বলেন, পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রামকে বিলবোর্ডমুক্ত করা হবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন অভিযানে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহরকে বিলবোর্ডের জঞ্জাল থেকে মুক্ত করতে আমরা সমন্বিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ নিয়েছি।

নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার।

অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিলবোর্ড স্থাপন করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত নীতিমালা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বিজ্ঞাপন স্থাপন করতে হবে।

অন্যথায় নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অব্যাহত থাকবে।

অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়কের দৃশ্যমানতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল, ট্রাফিক সিগন্যাল ও সাইনবোর্ড আড়াল হয়ে যাচ্ছিল এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

উচ্ছেদ কার্যক্রমের ফলে মোড়টির দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, উম্মে কুলসুম, শাহরীন ফেরদৌসী, রক্তিম চৌধুরী, প্রণয় চাকমা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয় প্রমুখ।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়েও পর্যায়ক্রমে একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি