back to top

সংগীতপ্রেমীদের ভিড়ে প্রাণবন্ত সঞ্চারীর সম্মিলন

প্রকাশিত: ০৪ মে, ২০২৬ ০৬:৪৪

সংগীতগুণী ওস্তাদ মিহির নন্দীর স্মরণে সঞ্চারী সংগীত নন্দন একাডেমির চতুর্থ বার্ষিক শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২ মে) সকালে থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

বাচিক শিল্পী প্রবীর পালের সঞ্চালনায় এবং একাডেমির সভাপতি প্রফেসর ড. সুদীপা দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সম্মিলন উদযাপন পরিষদের মহাসচিব এডভোকেট সুমন ধর।

স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শিল্পী সৈকত দত্ত। অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন এডভোকেট কানু রাম শর্মা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রফেসর ড. মইনুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. সোয়েব উদ্দিন খান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পী রিয়াজ ওয়ায়েজ।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডাঃ রজত কুমার বিশ্বাসকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের স্মারক দেওয়া হয়।

একাডেমির বার্ষিক প্রগতি মূল্যায়ন পরীক্ষায় তিন বর্ষে প্রথম হওয়া শিক্ষার্থীদের সনদ ও স্মারক প্রদান করা হয়।

সম্মিলন উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক আশীষ কুমার চৌধুরীর সমাপনী বক্তব্যের পর অতিথিরা মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে মূল সাংস্কৃতিক পর্বের সূচনা করেন।

এরপর একাডেমির শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সম্মেলক সংগীত পরিবেশিত হয়। তবলায় ছিলেন রিপন দাশ। সংগীত আয়োজন ও পরিচালনায় ছিলেন শিল্পী সৈকত দত্ত।

সুমী চক্রবর্তীর পরিচালনায় নৃত্যাঞ্চল সংগীত নিকেতনের শিল্পীরা সমবেত কথক নৃত্য পরিবেশন করেন।

একক পরিবেশনায় শিল্পী সৈকত দত্ত রাগ ভীমপলাসি পরিবেশন করেন। তবলায় ছিলেন সমীর আচার্য্য, হারমোনিয়ামে অনন্যা দে এবং তানপুরায় সঙ্গত করেন অর্পা দাশ ও পরশ মনি দে।

অনুষ্ঠানে একাডেমির সম্মানিত অভিভাবকেরা সমবেত সংগীত পরিবেশন করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়ান।

সবশেষে কলকাতা থেকে আগত শিল্পী অরণ্য চৌধুরী সন্তুরে রাগ কিরওয়ানী পরিবেশন করেন। তাঁকে তবলায় সঙ্গত করেন সমীর আচার্য্য।

এর আগে সকালে একাডেমির শিক্ষার্থীরা পঞ্চকবির গান পরিবেশন করেন। দিনব্যাপী এই আয়োজনে শাস্ত্রীয় সংগীত, নৃত্য ও সম্মাননা পর্বে মিলনায়তন ছিল দর্শকে মুখর।

সুধীজন ও সংগীতপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি