টেকনাফে সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ২ লাখ ৫৬ হাজার ইয়াবাসহ এক পাচারকারীকে আটক করেছে। এ সময় অপর দুই চিহ্নিত পাচারকারী পালিয়ে যায়।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া পয়েন্টের মািয়ানমার থেকে মাদকের একটি বড় চালান নাফ নদী দিয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হবে।
এমন সংবাদে বিজিবির বেশ কয়েকটি অভিযানিক দল অপরাধীদের ধরতে নাফ নদীর বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে ফাঁদ পাতে।
আরও পড়ুন
এ সময় তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নাফ নদী সাঁতরে আসতে দেখা গেলে আগে থেকেই বিজিবির ওঁৎ পেতে থাকা টহল দলগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে জালিয়ার দ্বীপ ও শোয়ার দ্বীপের মধ্যবর্তী জলসীমায় অতর্কিতে অভিযান শুরু করে।
মাদক কারবারিদের পালিয়ে যেতে দেখে বিজিবর নৌ-টহল দল তাদের ধাওয়া করলে পাচারকারীরা মাদকের প্যাকেটগুলো নদীতেই ছেড়ে দিয়ে দ্রুত মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা না গেলে দুজনকে চিহ্নিত করতে পারে বিজিবি।
এরা হলেন হ্নীলা জাদিমুড়া এলাকার আবদু রহিম বাদশা ও দমদমিয়ার মো. আয়াজ রুবেল।
এদিকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে ১১টার দিকে সাবরাং খুরের মুখ শিশুপার্ক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একটি সন্দেহজনক অটোরিকশা আসতে দেখে টহলদল সেটির গতিরোধ করে।
অটোরিকশার পেছনের যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে ১৬ হাজার ইয়াবাসহ কক্সবাজারের খুরুশকুল এলাকার মোস্তাক আহমদকে আটক করে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।


