সিটিজি নিউজ টুডে : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনেরই ভোটের ফলাফল নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার। এরমধ্যে ১৪টিতে বিএনপির ও ২টিতে জামায়াতের প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছে।
এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত হয়েছে নগর ও জেলার তিনটি সংসদীয় আসন থেকে পৃথক পৃথকভাবে ভোটে অংশ নিয়ে একই গ্রামের তিন প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। তিনজনই বিএনপির মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
তারা হলেন— চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে তারই ভাতিজা এবং সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, হালিশহর) আসন থেকে নির্বাচিত সাঈদ আল নোমান।
জয়ী হওয়া তিন বিএনপি প্রার্থীর বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের বাসিন্দা। এক গ্রাম থেকে তিনজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এলাকার লোকজনের মধ্যে খুশির আমেজ বিরাজ করছে।
নির্বাচন কমিশনারের তথ্যমতে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।
তিনি ১ লাখ ১১ হাজার ২০১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইলিয়াছ নুরী মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৯৬ ভোট।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী। ধানের শীষের এই প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬৭ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ডা. এ টি এম রেজাউল করিম পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৬৫ ভোট।
চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং) আসনের ১৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩২টির ফলাফলে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাঈদ আল নোমান পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৬৭৮ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের শামসুজ্জামান হেলালি পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৩৪ ভোট।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গিয়াস উদ্দিন কাদের ও হুম্মাম গহিরা গ্রামের বক্স আলী চৌধুরী বাড়ির বাসিন্দা। তাঁদের বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার উত্তরে সাঈদ আল নোমানের বাড়ি। তিনি প্রয়াত বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে।
স্থানীয়রা বলছেন, ‘দেশের মধ্যে গহিরা একমাত্র গ্রাম যেখান থেকে এবারের নির্বাচনে তিনজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা নিজ সংসদীয় এলাকা ছাড়াও নিজেদের গ্রামের উন্নয়নে অবদান রাখবেন, বাসিন্দাদের সেটিই প্রত্যাশা।’
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



