জাতীয় ডেস্ক : সৌদি রাষ্ট্রদূত সরকার গঠন ও দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান।
একই সঙ্গে সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা পৌঁছে দেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শ্রমবাজার, বিনিয়োগ, প্রবাসী কল্যাণ এবং সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেন তারা।
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং তা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি সৌদি আরবের অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বহুমাত্রিক ও ফলপ্রসূ হবে।
এদিকে রোববার সকাল ৯টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অফিস করতে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও জনশক্তি খাতে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নতুন সরকারের আমলে বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হবে।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



