সিটিজি নিউজ টুডে: চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর থানাধীন ঈদগাঁ বড় পুকুর দক্ষিণ পাড় এলাকায় বোনের বাসায় গিয়ে তাকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২ মার্চ) রাতে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। তবে হত্যার পর বোরকা পড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনগণ তাকে রক্তাত্ত ছুরিসহ আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশের একটি টিম এসে তাকে গ্রেপ্তার করে।
নিহত বোনের নাম ছেনোয়ারা বেগম (৪৮)। সে ওই এলাকার সাবের আহমদের স্ত্রী। তার সহোদর ভাই ও অভিযুক্ত ঘাতকের নাম জানে আলম (৪২)। তারা উভয়েই ঈদগাঁও বড় পুকুরপাড় এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের ছেলে সেকান্দার হোসেন রবিন বলেন, হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি ও তার বাবা তারাবির নামাজ পড়তে মসজিদে ছিলেন।
নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে দেখেন স্থানীয় লোকজন তার মামাকে রক্তাক্ত ছুরিসহ আটকে রেখেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে তারাবির নামাজের সময় বোন ছেনোয়ারার বাসায় যান জানে আলম। এ সময় পাওনা টাকার জেরে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে জানে আলম ছুরিকাঘাতে ছেনোয়ারাকে হত্যা করেন। ঘটনার পর স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন জানে আলম। পালানোর পথে এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
এ বিষয়ে হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দীন জানান, এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার খবর পেয়ে থানা পুলিশের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া নারী এবং সন্দেহভাজন খুনি সম্পর্কে ভাইবোন বলে জানা গেছে। কি কারণে ভাই তার বোনকে হত্যা করেছেন তা জানার চেষ্টা করছি।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



