বিশেষ প্রতিবেদন : বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতে এমন একজন মানুষ আছেন, যিনি সবার সাথেই মিশে যান অবলীলায়। তিনি আর কেউ নন, চট্টগ্রামের গর্ব তামিম ইকবাল।”
“তাকে শুধু একজন ক্রিকেটার বললে কম বলা হবে। তিনি যেন এক ‘ভার্সেটাইল অলরাউন্ডার’—শুধু মাঠে নয়, মাঠের বাইরেও তার সমান স্বচ্ছন্দ।”
“তার ছবির ফ্রেম থেকে বাদ পড়েন না কেউই। শেখ হাসিনা থেকে মুহাম্মদ ইউনূস—সবাই যেন জায়গা পান সেই এক ফ্রেমে। এমন এক উপস্থিতি, যেখানে বিভাজন নয়—বরং দেখা যায় এক অদ্ভুত মেলবন্ধন।”
আরও পড়ুন
“কেউ বলেন, তিনি সুযোগ বুঝে ছবি তোলেন। আবার কেউ বলেন—সুযোগই তাকে খুঁজে নেয়। সত্যটা হয়তো মাঝখানে কোথাও। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত—তার ক্যামেরা কখনো পক্ষপাত করে না।”
“তার হাসি—সবসময় একই রকম। কিন্তু সেই হাসির অর্থ? সৌজন্য, কৌশল, নাকি ভবিষ্যতের বিনিয়োগ—সেটি বোঝা কঠিন।”
সদ্য গঠিত বিসিবির নতুন অ্যাডহক কমিটির নেতৃত্বদানকারী তামিম কখনও ঝগড়ায় বিশ্বাস করেন না। কারণ তিনি জানেন—আজকের প্রতিপক্ষ, কাল হতে পারে সহযাত্রী। তাই আগেভাগেই তৈরি করেন সম্পর্ক। কেউ বলেন ‘স্মার্ট নেটওয়ার্কিং’, কেউ বলেন ‘রাজনৈতিক ব্যাটিং প্র্যাকটিস’।”
“মাঠে তিনি খেলেছেন ২২ গজে। কিন্তু মাঠের বাইরে—খেলছেন পুরো দেশের পিচে। এই পিচে বাউন্স কম, স্পিন বেশি, আর স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকে জনমত।”
“কেউ কেউ তাকে বলেন—এক ‘মানবিক কূটনীতিক’। তিনি কারো বিরুদ্ধে নন, কারো পক্ষেও নন—তিনি শুধু পাশে থাকেন।”
“সময়ের সাথে বদলায় রাজনীতি, বদলায় ক্ষমতা। কিন্তু কিছু ছবি থেকে যায়—যেখানে দেখা যায়, এই সময়েও তিনি ছিলেন।”
“একটি ক্লিক—একটি হাসি—আর তৈরি হয় এক নতুন বার্তা—সবাই তার পরিচিত, সবাই তার আপন।”
“তিনি ব্যাট দিয়ে রান করেন,আর হাসি দিয়ে সম্পর্ক। তিনি আউট হন না—কারণ তিনি খেলেন সব দলের হয়ে।
তাই তাকে শুধু ক্রিকেটার বললে ভুল হবে—তিনি এক চলমান ফ্রেম,এক জীবন্ত ঐক্য,এক অদ্ভুত ভার্সেটাইল অলরাউন্ডার।”
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



