back to top

চট্টগ্রাম-১৩ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনে হাইকমান্ডের কাছে তৃণমূলের দাবি

প্রকাশিত: ০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৫:০৯

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে সাবেক এমপি সরওয়ার জামাল নিজামকে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকে তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

তৃণমূল নেতা কর্মীদের দাবি সাবেক এমপি সরওয়ার জামাল নিজামের পরিবর্তে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীনকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি উঠেছে গণমানুষের।

বিগত ১৭ বছর দলীয় নেতা কর্মীদের মাঠে রেখে পালিয়ে থাকা এলাকার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখেন। আপদ বিপদে কেউ ফোন করলেও ফোন পর্যন্ত রিসিভ করেনি।

এমন ব্যক্তিকে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে তৃণমূলে নির্যাতনের শিকার, জেল জুলুম মামলা হামলার শিকার নেতা কর্মীদের চরম অপমান করা হয়েছে বলে দাবি করেন।

বিগত ১৭ বছর হাসিনা ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে সরওয়ার জামাল নিজাম নিজে অংশ নেয়া দুরের কথা, যারা অংশ নিয়েছিল তারা জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছে তাদের খোঁজ খবর নেয়া দুরের কথা, কোন ধরণের সহানুভূতিও প্রকাশ করেনি।

জনবিচ্ছিন একজন ব্যক্তি সরওয়ার জামাল নিজাম। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কয়েকদিন এলাকায় দেখা গেলেও প্রায় দেড় যুগ ছিল এলাকার বাইরে।

গত ৩ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত প্রার্থী ঘোষণার চট্টগ্রাম-১৩ আসনে সরওয়ার জামাল নিজামের নাম দেখে এলাকাবাসী ও দলীয় নেতা কর্মীরা বিক্ষোভ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকে মনোনয়ন পরিবর্তন না করলে ভোট সেন্টার না যাওয়ার ঘোষণা দেন।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে সরওয়ার জামাল নিজাম ছাড়াও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান বিগত ১৭ বছর দলীয় নেতা কর্মীদের অভিভাবক হয়ে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি নিজেরা মঠে ময়দানে স্বক্রিয় ভূমিকা থেকে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছে।

আনোয়ারা-কর্ণফুলীবাসী ও দলীয় নেতা কর্মীরা লায়ন হেলাল উদ্দীনকে বিগত ১৭ বছর ধরে যোগ্য অভিভাবক হিসেবে পেয়েছে বলে জানায়।

উক্ত আসন থেকে যদি মনোনয়ন পাওয়ার অধিকার রাখে একমাত্র লায়ন হেলাল উদ্দীনই একমাত্র প্রাপ্য।

সরওয়ার জামাল নিজামের প্রসঙ্গে আনোয়ারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গাজী ফোরকান বলেন, দল থেকে বলা হয়েছে আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে থাকা তৃণমূলের নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

এমন কথা থাকলেও আনোয়ারা-কর্ণফুলীতে মনোনয়ন দিয়েছেন দলের দুঃসময়ে মাঠে না থাকা ব্যক্তিকে।

যা তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে উনার মনোনয়ন পরিবর্তন না হলে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটবে, রাজনীতিতে এ সংস্কৃতি চালু হলে নতুন কেউ বিএনপির রাজনীতি করতে উৎসাহি হবে তরুণ প্রজন্ম বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে।

আনোয়ারা উপজেলা যুবদল নেতা অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রানা বলেন, আনোয়ারার নেতা কর্মীরা সরওয়ার জামাল নিজামকে গ্রহণ করেনি করবেও না, লায়ন হেলাল আনোয়ারাবাসীর সুখে দুখে অভিভাবক যার সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে উপজেলা থেকে দক্ষিণ জেলার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন।

নিজাম সাহেবের মত মৌসুমী মানুষ যদি আনোয়ারা মনোনয়ন পন সাধারণ নেতা কর্মীদের অপমান করার সামিল।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম-১৩ সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্ত সরওয়ার জামাল নিজাম বলেন, দল আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দিয়েছি, সবার উচিত বিএনপির জন্য কাজ করা ধানের শীষের জন্য কাজ করা আমাকে ব্যক্তি হিসেবে সবাই পছন্দ না করতে পারনে তবে দলীয় প্রার্থী হিসেবে আমার বাইরে যাওয়ার সুযোগ কোন নেতা কর্মীর নেই।