back to top

ফটিকছড়ি আসনের বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৬:৪৮

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপি ও হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তার মনোনয়ন বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল করেছেন একই আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মো. নুরুল আমিন।

গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) বরাবর দায়েরকৃত আপিলে তার আর্থিক দায় ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

যা আচরণবিধি ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের পরিপন্থী ও মনোনয়ন বাতিলযোগ্য।

আপিলে অভিযোগ করা হয়, সরোয়ার আলমগীর তার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় নিজের আর্থিক দায়, বিশেষ করে ব্যাংকঋণ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছেন।

নির্বাচন আচরণবিধি ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী ঋণ খেলাপি হলে অথবা হলফনামায় মিথ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করলে তার মনোনয়ন বাতিলযোগ্য বলে উল্লেখ রয়েছে।

জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিন অভিযোগ করেন, সরোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বকেয়া ঋণ থাকার তথ্য রয়েছে, যা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করা হয়েছে।

এ ধরনের তথ্য গোপন নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের শামিল এবং এতে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে হলে আইনের ব্যত্যয় ঘটানো কোনো প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যায় না।

নির্বাচন কমিশনের উচিত, অভিযোগগুলো যথাযথভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আপিলটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষের বক্তব্য ও দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও তথ্য যাচাই করা হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঋণ খেলাপি ও হলফনামায় তথ্য গোপনের মতো অভিযোগ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হয়।

এ বিষয়ে সরোয়ার আলমগীর তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, হলফ করে বলছি, এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমি কোনো ঋণ খেলাপি নই।

প্রতিদ্বন্দ্বীতার মাঠে পিছিয়ে থাকা দল আর প্রার্থীর কাজই হলো অন্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা, মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানো।