সিটিজি নিউজ টুডে : চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী এলাকায় যুবলীগ নেতা দিদারুল আলম ওরফে টেডি দিদারকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে নগরীর খুলশী আমবাগান আনসার ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত দিদারুল আলম নগরীর পাহাড়তলী থানার সরাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল আবছার বলেন, ‘খুলশী আনসার ক্লাবের সামনে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিলো।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি।’
ওসি আরও বলেন, নিহত ব্যক্তি পাহাড়তলী সরাইপাড়া এলাকার হলেও ঘটনাটি খুলশী থানাধীন আনসার ক্লাবের সামনে ঘটেছে। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা বিস্তারিত বলতে পারবে।
অপর দিকে খুলশী থানার ওসি জাহেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে নগরীর সরাইপাড়া বাসা থেকে টেডি দিদারকে ডেকে নিয়ে যান কয়েকজন যুবক। পরে তাঁকে বাজারের সামনে পেটাতে পেটাতে আমবাগান এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখান থেকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি নগরীর পাহাড়তলী বাজারে প্রকাশ্যে গণপিটুনিতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপশিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন সোহেল হত্যা, ২০২২ সালে মো. ফরিদ নামের এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে ও পিটিয়ে হত্যাসহ একাধিক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হলেন দিদারুল আলম ওরফে টেডি দিদার।
রেলের জায়গা দখল, আধিপত্য ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিজেকে যুবলীগ নেতা পরিচয় দেওয়া টেডি দিদার এসব হত্যা মামলায় পুলিশের হাতে একাধিকবার গ্রেপ্তারও হোন।
পরে আবার জামিনে বেরিয়ে পুনরায় চাঁদাবাজি ও দখলদারিতে যুক্ত হোন।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



