back to top

শাহ আমানতে এক মাসে বাতিল ২১২ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

প্রকাশিত: ৩০ মার্চ, ২০২৬ ০৬:৫৮

সিটিজি নিউজ টুডে : মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।

এর ফলে গত এক মাসে এই বিমানবন্দর থেকে ২১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ রোববার ৪টি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ার পর বাতিলের এই সংখ্যা দুই শতাধিক ছাড়িয়ে গেছে।

এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের শারজাহ থেকে আসা একটি ফ্লাইট, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের আবুধাবিগামী একটি এবং এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটের আসা-যাওয়ার দুটি ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, মূলত ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা ও এয়ারফিল্ড ব্যবহারে ব্যাপক জটিলতা তৈরি হয়েছে।

এর ফলে সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটে ফ্লাইট চলাচলে বড় ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটের ফলে প্রবাসীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আকাশপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অনেক এয়ারলাইনস তাদের নিয়মিত শিডিউল বজায় রাখতে পারছে না, যার ফলে যাত্রী সাধারণের মাঝে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।

বিপর্যস্ত এই পরিস্থিতির মধ্যেও গত রোববার মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ৭টি এবং বহির্গামী ৭টি ফ্লাইট কোনোমতে সচল ছিল।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ।

এই অনিশ্চয়তার কারণে অনেক যাত্রী তাদের টিকিট পরিবর্তন করছেন কিংবা বাধ্য হয়ে যাত্রা স্থগিত রাখছেন।

এয়ারলাইনস সংশ্লিষ্টরা এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।

বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে যাত্রীদের নিয়মিত এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ফ্লাইটের সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি