back to top

ড্রেন পরিষ্কারেও ধীরগতি, সময় বেঁধে দিলেন মেয়র শাহাদাত

প্রকাশিত: ১০ মে, ২০২৬ ১৪:৩০

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান নালা-নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রমে ধীরগতির অভিযোগ তুলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার (১০ মে) নগরীর ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে পরিচালিত ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

দৈনিক কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১টায় ২০ নম্বর ওয়ার্ডের খামারের পেছনের এলাকায় এবং সকাল সাড়ে ১১টায় ২১ নম্বর ওয়ার্ডের মিডটাউন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন মেয়র।

এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে কাজের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মেয়র বলেন, পাইপ দিয়ে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে, তবে তা এখনো পর্যাপ্ত নয়। ভারী বৃষ্টিপাত হলে এসব এলাকায় আবারও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি তৈরি হবে।

দ্রুত মাটি অপসারণসহ চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার তাগিদ দেন তিনি। ৩৪ ব্রিগেড আর্মি ইঞ্জিনিয়ারিং টিমকে কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশও দেন মেয়র।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা এবং নালায় বর্জ্য নিক্ষেপ। এতে পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই জলজট সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, “শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।”

নালা-খালে ময়লা ফেলা, অবৈধ দখল কিংবা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন মেয়র।

তিনি জানান, চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে এবং আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ভবন মালিক, ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, গত বছর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল।

এবারও সব সেবা সংস্থা, জনপ্রতিনিধি ও নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তোলার কাজ চলছে।

নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি