জাতীয় ডেস্ক : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠবেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি মীর আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ভবন ওঠার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে, যা তার ব্যক্তিগত পছন্দ ও কাজের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পিত।
ধারণা করা হচ্ছে, এই সংস্কারকাজ শেষ হতে আনুমানিক দুই মাস সময় লাগতে পারে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রক্রৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, ‘যখন প্রধানমন্ত্রী ভবনে উঠবেন, তখন তার ডিজাইন অনুযায়ী কিছু সংস্কার কাজ করার প্রয়োজন হবে।
প্রধান উপদেষ্টা থাকার সময় কিছু সংস্কার করা হয়েছিল, তবে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগে আরও কিছু কাজ সম্পন্ন করতে হবে। আমাদের সমস্ত প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।’
নিরাপত্তা ও পরিবেশের প্রস্তুতি
যমুনা ভবনকে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান হিসেবে নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বৈঠক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের জন্যও ব্যবহার করা হবে।
তাই নিরাপত্তার দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। রমনা বিভাগের পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর যমুনায় অবস্থানের সময় সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।
এডিসি মীর আসাদুজ্জামান জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী যমুনায় উঠার সময় পুরো এলাকা নিরাপদ থাকবে। আমাদের লক্ষ্য, প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের জন্য নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও কার্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা।’
সংস্কার ও প্রস্তুতির সময়সীমা
সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রী যমুনায় ওঠার পর ভবন এবং আশেপাশের এলাকায় সংস্কার কাজের সময় আনুমানিক দুই মাস লাগতে পারে।
তবে ভবন থেকে সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ শুরু হবে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী এক মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় এটি পাবেন।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ডিজাইন এবং সুবিধা অনুযায়ী ভবনকে পুনঃসংস্কার করা হবে।
এতে শুধু প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত বাসস্থান নয়, ভবনকে প্রশাসনিক কাজ ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের জন্যও পূর্ণভাবে কার্যকর করা হবে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘আমরা লক্ষ করেছি যে, প্রধানমন্ত্রী যমুনায় ওঠার পর পুরো ভবন এবং আশেপাশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য এবং সরকারি কাজের সুবিধা নিশ্চিত করা আমাদের মূল অগ্রাধিকার।’
এ ছাড়া নিরাপত্তা এবং সংস্কার কাজের সময় জনসাধারণকে বিরক্ত না করার জন্য এবং ভবনের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালানোর জন্য পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর একত্রে কাজ করছে।
নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যমুনায় ওঠার মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। প্রস্তুতি, নিরাপত্তা এবং ভবনের সংস্কার কাজ ইতিমধ্যেই ত্বরান্বিত করা হয়েছে।
আশা করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর যমুনায় অবস্থান এবং ভবন ব্যবহার দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে, যা সরকারের কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



