চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতাল পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৮

চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক সমিতি সচেতন জীবন সদস্য প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস, ঈদ পুনর্মিলনী ও মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের একটি অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।

সংগঠনের আহ্বায়ক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জীবন সদস্য কামরুল হাসান হারুন। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে যেকোনো প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যাবে।” “সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণই সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করবে।”

সাইফুদ্দিন আহমেদ সাকী ও সামিন ইয়াসার সাদের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ওবায়দুল করিম। তিনি বলেন, “শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সমন্বিত উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি করে।”

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) চট্টগ্রামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “ডায়াবেটিক হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।”

শিল্পপতি মাস্টার আবুল কাশেম বলেন, “প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।” অধ্যাপক ডা. মাসুদ আহমেদ বলেন, “স্বাস্থ্যসেবায় স্বচ্ছতা আস্থা তৈরি করে।”

ডা. শাহরিয়ার আহমেদ মিলন বলেন, “সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতকে এগিয়ে নিতে হবে।” সংগঠনের সদস্যসচিব লায়ন গিয়াস উদ্দিন বলেন, “সদস্যদের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

সভায় সংগঠনের আজীবন সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট ফরিদা আক্তার, শাহজাদা সৈয়দ হাবিব উল্লাহ খান মারুফ শাহ, অ্যাডভোকেট মাসুদুল আলম, লায়ন মোহাম্মদ আরফান উদ্দিন খালেদ, লেখক লায়ন জাহাঙ্গীর মিয়া, মোহাম্মদ আবসার উদ্দিন, লায়ন স্বপন কুমার বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট আজম খান, এমদাদুল আজিজ চৌধুরী, মো. তৌফাজ্জল হোসেন, অধ্যক্ষ একেএম ইসমাইল, নবাব হোসেন মুন্না, তাহের আহমেদ ও নূর আহমেদ পিন্টু।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।হাসপাতাল

পরবর্তীতে চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। তারা হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঈন উদ্দিন কাদেরী শওকত, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. সুবল আচার্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমদা রঞ্জন ত্রিপুরা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন আহাম্মদ চৌধুরী।

সভায় বক্তারা চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি গ্রহণযোগ্য নতুন পরিচালনা পরিষদ গঠনের দাবি জানান তাঁরা।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি