দীর্ঘদিন ধরে চলা টানা অচলাবস্থা ও আন্দোলনের মাঝেই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সীমিত পরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মোট ১২টি বিভাগের মধ্যে কেবল নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা (ইউআরপি) বিভাগে ক্লাস অনুষ্ঠিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষাঙ্গনে অচলাবস্থা কাটেনি।
মূল ফটক বন্ধ রেখেই শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) চুয়েট ক্যাম্পাসে সরেজমিনে এমন চিত্রই দেখা যায়।
শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম। এর মধ্যেই নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ক্লাস শুরু হওয়ায় আংশিক প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মুখেই রয়েছে অসন্তোষের ছাপ।
বাকি ১১টি বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন নিয়ে শঙ্কা কাটেনি।
ক্যাম্পাসের মূল ফটক বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের এই অবস্থান ও আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। নিজেদের যৌক্তিক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা মাঠ ছাড়বেন না বলে জানিয়েছেন।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, একটি বিভাগে ক্লাস শুরু হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ কোনোভাবেই স্বাভাবিক বলা চলে না।
আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ থাকবে এবং আন্দোলনও যথারীতি চলবে।
আমরা আশা করি, সরকার ও প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে সব বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা চালুর সুপরিবেশ নিশ্চিত করবে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাফ কথা-আংশিক সমাধান নয়, বরং অতি দ্রুত সব দাবি মেনে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম ফিরিয়ে আনতে হবে।
দ্রুত কোনো স্থায়ী সমাধান না আসলে স্থবিরতা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি


