ছয় দশকের গৌরবের গৌরবগাথা: ১৮ নভেম্বর সাড়ম্বরে চবির হীরকজয়ন্তী

সুরে সাড়ম্বরে মঞ্চ মাতাবেন নগর বাউল জেমস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৪১

শিক্ষা, গবেষণা ও গৌরবময় ঐতিহ্যের দীর্ঘ ষাট বছরের পথচলা পূর্ণ করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)।

প্রতিষ্ঠার এই ছয় দশক পূর্তি স্মরণীয় করে রাখতে আগামী ১৮ নভেম্বর বর্ণাঢ্য ও জমকালো আয়োজনে উদযাপিত হতে যাচ্ছে চবির হীরকজয়ন্তী। দিনটি ঘিরে লাল পাহাড়ের সবুজ ক্যানভাসে এখন উৎসব মুখর পরিবেশ ও জোরালো প্রস্তুতি চলছে।

উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন নন্দিত ব্যান্ড তারকা ও সংগীতশিল্পী জেমস। নগর বাউলের সুরের মূর্ছনা ও কনসার্টকে কেন্দ্র করে চবির বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে বাড়তি উন্মাদনা।

আয়োজক সূত্র জানায়, ঐতিহাসিক এই মিলনমেলায় অংশগ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে গত ৩০ অক্টোবর থেকে অনলাইন ও অফলাইনে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করে উৎসবে শামিল হতে পারবেন।

ছয় দশকের ইতিহাস, ত্যাগ ও অর্জনকে কেন্দ্র করে ঢেলে সাজানো হয়েছে হীরক জয়ন্তীর দিনব্যাপী দিনপঞ্জি। ১৮ নভেম্বর সকালে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচিত হবে দিনটির কার্যক্রম।

র‍্যালিতে অংশ নেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরপর অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা এবং চবির ছয় দশকের বিবর্তন ও সাফল্যের ওপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী।

উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে দুপুরভাগে থাকবে প্রীতি ভোজের আয়োজন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে বিশেষ মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা। বিকেলে ও সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক পর্বে জেমসের সংগীত পরিবেশন ছাড়াও থাকবে নানা বৈচিত্র্যময় পরিবেশনা।

অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, আগামী ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরক জয়ন্তী উৎসব উদযাপিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি জোরকদমে এগিয়ে চলছে।

নিবন্ধনের পাশাপাশি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সাংস্কৃতিক সূচির যাবতীয় পরিকল্পনা গুছিয়ে আনা হচ্ছে। এটি প্রাক্তন ও বর্তমানদের এক অনন্য মিলনমেলা হবে।

নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা, সার্বিক নিরাপত্তা ও আগত অতিথিদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে একাধিক উপকমিটি রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে উৎসব আয়োজক পর্ষদ।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি