সিটিজি নিউজ টুডে : রাউজান থেকে ওরসে আসার সময় হাটহাজারীর হালদা নদীর বেরিবাঁধ এলাকায় হামলার শিকার হয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ মো. সাব্বিরের (২১) মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌণে ৯টার দিকে হালদা নদীর রাউজানের পশ্চিম পাশে ছায়ার চর নামক এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো. সাব্বির রাউজান উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের মৈশকরম গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুউল্লাহ চৌধুরী বাড়ির বাসিন্দা। তিনি আব্দুল মান্নান ও মনোয়ারা বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে।
আরও পড়ুন
জানা যায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার ভিকটিম সাব্বির তার ৮-১০ জন বন্ধুসহ হাটহাজারী উপজেলার মাদার্শা ইউনিয়নের বেরিবাঁধসংলগ্ন এলাকায় হজরত আবদুল করিম শাহ (রা:) বার্ষিক ওরস শরিফে আসছিলেন।
এদিন দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রামদাশ মুন্সির হাটের হালদা নদীর খেয়াঘাটে পৌছালে তাঁদের বহনকারী নৌকায় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়।
হামলার একপর্যায়ে দু’জনই নদীতে ঝাঁপ দেন। মারুফ আহত অবস্থায় ফিরে এলেও সাব্বির আর ভেসে ওঠেননি।
ঘটনা জানাজানি হলে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ, রামদাশহাট নৌ পুলিশ ও হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সাব্বিরকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন।
হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান জানান, ওরশে বন্ধুদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে সাব্বিরের মাথায় আঘাত করা হলে তিনি নদীতে লাফ দেন এবং তলিয়ে যান।
বিষয়টি জানার পর পুলিশ ও প্রশাসন যৌথভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
হালদার অস্থায়ী নৌ-পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. রমজান জানান, তিনদিন ধরে সাব্বিরের খোঁজে নদীতে টহল দিয়ে আসছি।
মঙ্গলবার সকালে নদীতে বালু তোলার সময় লোকজন নদীতে একটি মাথা দেখতে পেয়ে নৌ পুলিশকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে সকাল পৌনে ৯টার দিকে আমরা নদীর মাঝ থেকে ভাসমান অবস্থায় সাব্বিরের লাশ উদ্ধার করি।
পরে পরিবারের লোকজন তাকে শনাক্ত করে। সুরতহাল রিপোর্টশেষে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



