সিটিজি নিউজ টুডে : চট্টগ্রামের হালিশহরে ৬ তলা আসবাসিক ভবনে গ্যাস লাইন থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় নতুন করে সাখাওয়াত হোসেন ও আয়েশা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে।
এতে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ জন হয়েছে।
সর্বশেষ আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. শাখাওয়াত হোসেন (৪৯) মারা যান। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যায় আয়শা আক্তার (৩০) নামে এক নারী।
ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, শাখাওয়াতের শরীর শতভাগ পুড়ে গিয়েছিল এবং তার শ্বাসনালীও গুরুতর জখম হয়েছিল।
এর আগে নুরজাহান আক্তার, তার ছেলে শাওন ও ভগ্নিপতি সুমনের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় আহত আরও চারজন বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানান, তাদের প্রত্যেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
এর আগে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রামের হালিশহরে এইচ ব্লকে সেহেরির সময় ভয়াবহ এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
লাইনে জমে থাকা গ্যাস থেকে বা অসাবধানতা বসত রাতে চুলা বন্ধ না করায় এ বিস্ফোরণ হয় বলে দাবি ফায়ার সার্ভিসের।
এসময় প্রচন্ড শব্দে কেঁপে উঠে পুরো এলাকা। ভবনটির ২য়, ৩য় ও ৪র্থ তলায় উড়ে যায় দরজা, জানালা ও আসবাবপত্র।
এছাড়া তৃতীয় তলার ওই ফ্ল্যাটে আগুন ধরে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৪ টি ইউনিট দেড় ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় দ্বগ্ধ হোন তিন শিশুসহ একই পরিবারের ৯ সদস্য।
চিকিৎসার জন্য তাদের প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও পরে ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়।
ঘটনা তদন্তে পৃথক দুই কমিটি :
ঘটনায় দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) মহাব্যবস্থাপক কবির উদ্দিন আহমেদ জানান, তাদের পক্ষ থেকেও তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি



