একসময়ের দাপুটে ব্যবসায়ী নেতা ও চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ লতিফের ভাগ্য এখন আদালতের বারান্দায়।
তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এক ডজন (১২টি) মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন তিনি।
আজ রবিবার (১৯ জুলাই) হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চের কার্যতালিকায় (কজ লিস্ট) আবেদনগুলো শুনানির জন্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ এ সব জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
পতন ও গ্রেপ্তার অধ্যায় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৬ আগস্ট রাতে চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে এম এ লতিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এর পরদিনই, অর্থাৎ ১৭ আগস্ট বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চট্টগ্রামের একটি আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
লতিফের উত্থান-পতন চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এম এ লতিফ একটি পরিচিত নাম। তিনি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিআই) সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।
ব্যবসায়ী নেতা থেকে পরবর্তী সময়ে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তবে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বর্তমানে তাঁর দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।
কারাগারে থাকা এই সাবেক এমপির জামিন আবেদনকে কেন্দ্র করে আজ আদালত পাড়ায় ল’ইয়ার ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি থাকবে।
এখন দেখার বিষয়, উচ্চ আদালত থেকে তিনি কোনো আইনি স্বস্তি পান কি না।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি


