চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেটের চালান আটক করেছে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স।
দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের এক যাত্রীর ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে ২৩৫ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের BG-148 ফ্লাইটটি শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
গোপন তথ্য থাকায় আগেই সতর্ক অবস্থানে ছিলেন কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও বিমানবন্দর কাস্টমস কর্মকর্তারা। ফ্লাইটটি ল্যান্ড করার পর আন্তর্জাতিক যাত্রী আগমনী হলে বিশেষ নজরদারি চালানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সন্দেহভাজন যাত্রী মোহাম্মদ সোহেল (পাসপোর্ট নং: EL0147654) ব্যাগেজ বেল্ট থেকে লাগেজ নিয়ে বের হওয়ার সময় কাস্টমস কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা দল তাকে চ্যালেঞ্জ করে।
পরবর্তীতে তার ব্যাগ খুলে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে বিদেশি নামিদামি ব্র্যান্ডের সিগারেটের বিশাল চালান।
জব্দকৃত পণ্যের বিবরণ ও রাজস্ব হিসাব:
মন্ড (Mond) ব্র্যান্ড: ১৫০ কার্টন (আনুপাতিক রাজস্ব মূল্য তিন লক্ষ ৩০ হাজার টাকা)
ইজি লাইটস (Easy Lights) ব্র্যান্ড: ৮৫ কার্টন (আনুপাতিক রাজস্ব মূল্য দুই লক্ষ ৬৩ হাজার ৫শ টাকা)
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, অবৈধভাবে আনা এই পণ্যের চালানটি ডিটেনশন মেমোরেন্ডাম (DM) বা ডিএম মূলে জব্দ করা হয়েছে।
জব্দকৃত এই সিগারেটের চালানটি বর্তমানে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নিরাপদ হেফাজতে রয়েছে। আটককৃত যাত্রী মোহাম্মদ সোহেলকে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও কাস্টমস শাখা কর্তৃক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মৌখিকভাবে কঠোর সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ রোধ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে বিমানবন্দরে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
বিমানবন্দর গোয়েন্দা সংস্থা, বিমানবন্দর কাস্টমস, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) যৌথ ও সর্বোচ্চ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে এবং সামনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি

