যেভাবে রাষ্ট্রের হাজার কোটি টাকা পকেটে ভরল খসরু-সুবক্তগীন সিন্ডিকেট!

স্বপ্নের রেলপথ, নাকি মেগা অনিয়ম?উদ্বোধনের পরও শেষ হয়নি বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১৬ জুলাই, ২০২৬ ০১:২৯

দক্ষিণের আকাশ ছোঁয়া স্বপ্নের নাম ছিল ‘দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ’। পর্যটন নগরীকে রাজধানীর বুক ঘেঁষে যুক্ত করার এক মহাপ্রকল্প।

কিন্তু সেই স্বপ্নের আড়ালে যে এতটা ভয়ংকর, গা শিউরে ওঠার মতো দুর্নীতির খতিয়ান লুকিয়ে ছিল, তা হয়তো সাধারণ মানুষের কল্পনারও অতীত।

প্রকল্প শেষ হতে না হতেই ২০২৩ সালের পাহাড়ি ঢলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল রেললাইনের কিছু অংশ। প্রকৃতি যেন তখনই আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল-কোথায় গলদ, কোথায় শুভঙ্করের ফাঁকি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের নামে এই প্রকল্পে কমপক্ষে ১ হাজার ৫০০ কোটি থেকে ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও চতুর সিন্ডিকেট।

আর এই সিন্ডিকেটের প্রধান চালিকাশক্তি বা ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে নাম এসেছে বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ এন এম খসরু এবং অন্যতম আশকারাদাতা হিসেবে আঙুল উঠেছে সাবেক প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ের বর্তমান জিএম (পূর্ব) সুবক্তগীনের দিকে।

তমা কনস্ট্রাকশনের কর্ণধার মোহাম্মদ আতাউর রহমান ভূঁইয়ার (মানিক) সঙ্গে মিলে তৎকালীন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এই চক্রটি রাষ্ট্রের হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে বলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়া একাধিক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নকশা বদল ও কাগজের ওপর কোটি টাকার খেলা:
অভিযোগের গভীরতা এতটাই যে, প্রকল্পে মূল নকশার বাইরে গিয়ে দেদারসে কাজ করানো হয়েছে এবং অবৈধভাবে বিল তোলার জন্য নকশায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজশ করে কোনো কাজ না করেই ইঞ্জিনিয়ারদের বাধ্য করা হয়েছে আরএফআই (Request for Inspection) কাগজে সই করতে। এভাবে শুধুমাত্র ভুয়া বিলের মাধ্যমেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পকেটে ভরেছে এই সিন্ডিকেট।

এর বাইরেও রয়েছে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ও সরঞ্জাম ব্যবহার এবং অতিরিক্ত মেজারমেন্ট (কাগজে-কলমে বেশি কাজ দেখিয়ে বিল তোলা)। এই খাত থেকে লোপাট করা হয়েছে আরও প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রকল্পের মাত্র ৫ শতাংশ কাজেরও সঠিক মেজারমেন্ট বা পরিমাপ নেই। কোনো সৎ কর্মকর্তা যদি সঠিক মাপ লিখে জমা দিতেন, খসরুর নির্দেশে সেই কাগজ ছিঁড়ে ফেলে দিয়ে নিজেদের মতো ভুয়া কাগজ তৈরি করে স্বাক্ষর করানো হতো।”

সততার শাস্তি চাকরিচ্যুতি, সিন্ডিকেটের ‘কক্সবাজার সাম্রাজ্য’:
এই মেগা দুর্নীতির যূপকাষ্ঠে বলি হতে হয়েছে বেশ কয়েকজন সৎ প্রকৌশলীকে।

খসরু ও সুবক্তগীনের এই অবৈধ সাম্রাজ্যের অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোগী ছিলেন প্রকৌশলী সালাউদ্দিন, যিনি খসরুর ‘কক্সবাজার সাম্রাজ্য’ দেখভাল করতেন বলে জানা গেছে। যখনই কোনো সৎ কর্মকর্তা এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, তাঁর ওপরেই নেমে এসেছে প্রশাসনিক নির্যাতন।

যেমন, প্রকৌশলী নূরুল ইসলাম অবৈধ কাগজে সই করতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। পরবর্তীতে সেই ভুয়া কাগজে সই করে খসরু সিন্ডিকেটকে রক্ষা করেন প্রকৌশলী সালাউদ্দিন।

একইভাবে, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার শরীয়ত উল্লাহ যখন রেললাইনের সংলগ্ন বিল্ডিং কমপ্লেক্স নকশা অনুযায়ী না হওয়ার বিষয়টি ধরিয়ে দেন, তখন প্রথমে তাঁকে ১৫ দিনের অবৈতনিক ছুটি এবং পরবর্তীতে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি এবং উধাও হওয়া কালভার্ট:

লুটপাটের খতিয়ান এখানেই শেষ নয়। সিন্ডিকেটের আরেক অনুজ পরিবেশ প্রকৌশলী সাইফুল এবং প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে উঠেছে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করার মতো মারাত্মক অভিযোগ। সমতল ভূমিকে কাগজ-কলমে নদী, নালা, পুকুর বা পাহাড় দেখিয়ে অতিরিক্ত বিল উত্তোলন করা হয়েছে।

এমনকি নদী বা নালা না থাকা সত্ত্বেও কালভার্ট ও ব্রিজ নির্মাণের ভুয়া বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। আর এই পুরো পরিমাপের হিসাব-নিকাশ বা ‘কোয়ান্টিটি সার্ভে’র শেষ অংশটি সামাল দিতেন কানন বড়ুয়া নামের এক কোয়ান্টিটি সার্ভেয়ার।

এমনকি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার বাসা, গাড়ির গ্যারেজ ভাড়া এবং চালকদের জ্বালানি খরচ বাবদ বরাদ্দের ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ টাকাই ভুয়া চুক্তিনামা দেখিয়ে হাওয়া করে দেওয়া হয়েছে।

আইএমইডির প্রতিবেদনেও অনিয়মের সিলমোহর:
বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) ২০১৯ সালের এক মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রকল্প চলাকালীন নয়জন পরিচালক পরিবর্তন করা হয়েছিল।

যেখানে ৫৫ হাজার ঘনমিটার ব্যালাস্ট (রেলপথের পাথর) দেওয়ার কথা, সেখানে দেওয়া হয়েছিল মাত্র ৭ হাজার ঘনমিটার।

ফলে অনেক স্থানে রেললাইন আঁকাবাঁকা হয়ে যায় এবং স্লিপার ফেটে যায়। সেতু ও স্টেশন পুনর্নির্মাণের ক্ষেত্রেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং চুক্তি ভঙ্গের প্রমাণ পায় সংস্থাটি। যার ফলে চালুর ৪ বছরের মাথায় ফের সংস্কারের তোড়জোড় শুরু করতে হয়।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অর্থায়িত এমন একটি মেগা প্রকল্পে এই স্তরের লুটপাট ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অর্থায়নকে বড় ঝুঁকিতে ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

অভিযুক্তদের টালবাহানা ও গণমাধ্যম দমনের চেষ্টা:
এসব চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে যখন সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ এন এম খসরুর মুখোমুখি হওয়া হয়, তখন গণমাধ্যমে তিনি প্রথমে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।

পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সমস্ত দোষ তৎকালীন প্রকল্প পরিচালকদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি তাঁর সিন্ডিকেটের ‘মিডিয়া ম্যানেজার’ হিসেবে পরিচিত খলিল নামের এক ব্যক্তিকে ডেকে আনেন, যিনি এর আগেও একাধিক গণমাধ্যমকে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করেছেন বলে তথ্য রয়েছে। তবে এবার উপস্থিত সাংবাদিকদের সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

এই চক্রের শিকড় অনেক গভীরে। খসরু ও সুবক্তগীন ছাড়াও ২০% খ্যাত সেলিম, ভারতে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা সঞ্জয়, আলী নূর, মিলন গোস্বামীসহ পুরো চেইনের মুখোশ উন্মোচন এখন সময়ের দাবি।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বিগত সরকারের আমলে প্রকল্পের নামে কীভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে, তার অন্যতম উদাহরণ এই চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ।

আমরা এই প্রকল্পের জঞ্জাল পরিষ্কার করে নতুন করে কীভাবে জনকল্যাণে কাজ করা যায়, তা নিয়ে ভাবছি।”

অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, “ প্রকল্প সম্পর্কিত বেশ কিছু অভিযোগ আমাদের হাতে এসেছে এবং প্রাথমিক তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। জনগণের টাকার এই হরিলুটের সত্যতা মিললে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, প্রয়োজনে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান চালানো হবে।”

দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথের এই কঙ্কালসার রূপ যখন তদন্তের টেবিলে। তখন হঠাৎ করেই যেন অজ্ঞাত কারণে সিন্ডিকেটের প্রভাবে চাপা পড়ে যায় তদন্ত ফাইল। প্রশংসায় ভাসিয়ে সম্ভাবনাময় উন্নতি ও আশাব্যঞ্জক স্ক্রিপ্ট তৈরি করে নানাভাবে প্রচারের চেষ্টাও অব্যাহত রেখেছে শক্তিশালী এ সিন্ডিকেট।

সূত্রপ্রাপ্ত তথ্যমতে রেলওয়ের বর্তমান জিএম (পূর্ব) সুবক্তগীন তার অনিয়ম দুর্ণীতি ধামাচাপা দিতেই ভিন্ন এ কৌশল অবলম্বন করছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্জলের জিএম সুবক্তগীনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে তার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে সংশ্লিষ্ট অনিয়মের বিষয়ে সত্যতা জানতে কিছু প্রশ্ন পাঠানো হয়। তিনি তার দায়িত্ব পালনের সময়সূচি উল্লেখিত একটি ছবি পাঠিয়ে আর কোন মন্তব্য করেননি।

এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত স্বপ্নের রেললাইন নির্মাণে মেগা প্রকল্পের আড়ালে রয়েছে ভয়াবহ মেগা দুর্নীতির অভিযোগ এনে বেশ কয়েকটি পোস্ট করা হলে বিষয়টি আবারও সংশ্লিষ্ট মহলে নাড়িয়ে দেয়।

গত এক জুলাই ৫টা ৪৫ মিনিটে পিনাকী ভট্টাচার্য্য তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে করা পোস্টে লিখেছেন-চট্টগ্রামের দোহাজারী-কক্সবাজার রেল প্রকল্প।রেল

যেখানে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতি করেছে মূলত প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সাবেক প্রকল্প পরিচালক, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং প্রকল্পের ডেপুটি টিম লিডার যিনি আবার আওয়ামী দোসর।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে মিলেমিশে রেলওয়ের লোকজন এভাবে রাষ্ট্রের হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে। বছরের পর বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা এভাবেই চলছে।

এই দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাদের এসব দুর্নীতির বোঝা টানতে হচ্ছে পরবর্তী সরকারগুলোকে। আর বিএনপি সরকারের লোকজনও আছে তাদেরকে ম্যানেজ করা তেমন ঝামেলার ব্যাপার না। এসব লোকজনকে একে একে ধরে জয় বাংলা না করা পর্যন্ত এই রাষ্ট্রের দুর্নীতি দূর হবে না।

পরদিন ২ জুলাই ৮টা ১৮ মিনিটে পিএসপি ভারসন নামক একটি ফেসবুক পেইজে লেখা হয়, দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন গুনদুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ।রেল

সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য থাকলেও তা বাস্তবায়নে এখন সময় লাগছে ১৬ বছর।

এই প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছে। মূলত সাবেক প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ের জিএম (পূর্ব) সুবক্তগীন এবং সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও প্রকল্পের ডেপুটি টিম লিডার এ এন এম খসরুসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বহুল আলোচিত-সমালোচিত এই প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে।

আরও ২দিন পর রাত ৮টা ২৯ মিনিটে July Revolutionary Alliance-JRA নামক আরেকটি ফেসবুক পেইজে উল্লেখ করা হয়-ফ্যাসিবাদের আমলে নেওয়া দক্ষিণ চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন প্রকল্প যেন এক দুর্নীতির আখড়া।রেল

লুটপাটের কারণে বিতর্কিত তিন বছরের প্রকল্পটি শেষ হতে যাচ্ছে ১৫ বছর পর। পুরো প্রকল্পের বিভিন্ন খাত মিলিয়ে দুর্নীতি হয়েছে অন্তত দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকা। কুখ্যাত আওয়ামী প্রতিষ্ঠান পলাতক তমা কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে মিলে এই লুটের অন্যতম কুশীলব হিসেবে কাজ করেছেন তৎকালীন রেলওয়ের পরামর্শক ও সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) এ এন এম খসরু এবং সাবেক প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ের জিএম (পূর্ব) সুবক্তগীন।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অর্থায়িত একটি প্রকল্পে এমন লুটপাটের কারণে ভবিষ্যতে ঝুঁকিতে পড়তে পারে এডিবির অর্থায়ন। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে দুদকে খসরুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

দেশের সচেতন মহলও আশা করছে, অবিলম্বে এই আন্তর্জাতিক মানের লুটপাটের পেছনের কুশীলবদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/বিশেষ প্রতিবেদন