দেশের অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু ও মেগাপ্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে বন্দরনগরী ও উপকূলীয় অঞ্চলে একদিনের সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যস্ত সফরে বের হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে আকাশপথে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর এলাকা পরিদর্শনে পৌঁছান তিনি।
সংকটাপন্ন ও সম্ভাবনাময় প্রকল্প এলাকাগুলো সরাসরি পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তৎপরতা তৈরি করেছে।
ঘটনাস্থলে নামার পরপরই প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় এমপি (কক্সবাজার-২) আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ এবং জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।
এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতি-নির্ধারকরা-যার মধ্যে আছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
প্রকল্প এলাকায় পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শনের পাশাপাশি সেখানকার গভীর সমুদ্রবন্দর এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (MIDA) সার্বিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন এবং কাজের অগ্রগতি বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন নিশ্চিত করেছেন যে, মেগাপ্রকল্প পর্যালোচনার পর প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চলে যাবেন সাম্প্রতিক বন্যায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী ও হাটহাজারী অঞ্চলে।
সেখানে বন্যায় গৃহহীন হয়ে পড়া পরিবারগুলোর কাছে পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে নবনির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর করবেন তিনি।
এর আগে সকালে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বের হয়ে তেজগাঁও বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তাঁকে বহনকারী বিশেষ হেলিকপ্টারটি বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা দ্বীপ মহেশখালীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে এবং ১০টা ৫৫ মিনিটে মাতারবাড়ীতে সফলভাবে অবতরণ করে।
দিনব্যাপী এই ঝটিকা সফরে উপকূলীয় উন্নয়ন প্রকল্প এবং বন্যাপীড়িত অঞ্চলের মানবিক সহায়তার চিত্র সরাসরি প্রত্যক্ষ করবেন সরকারপ্রধান।
চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন/আরএসপি

